Entrepreneur

Jobayda Akther Poly ( জোবায়দা আক্তার পলি )

তথ্য সংগ্রহ : আলমগীর হোসাইন

আমি জোবায়দা আক্তার পলি।

 

জন্ম ঢাকাতে। বসবাসরত ঢাকাতেই। আমার জন্ম হয় ১৯৮৫ ইং সাল ২১-শে- জুন পবিত্র জুম্মা দিন ভোর ৫.৪৫ মি:। পিতা আলহাজ্ব এস,এম,মামুন। মাতা পারভীন আক্তার। স্থায়ী ঠিকানা বরিশাল ।

এস,এস,সি ও এইচ,এস,সি শেষ করার মাঝামাঝি আমি বৈবাহিক জীবনে পা রাখি যখন আমার বয়স ১৮। তার পর জীবনের একটি যুগ ১২ বছর পার করে দেই প্রবাসে।জীবনের কঠিন মুহুর্ত ও বাস্তবতা শেখার ধাপ গুলো ছিলো আমার প্রবাস জীবন যাকে আমার রেলগাড়ি সমন্বয় মনে হয়। তার মাঝে আমি গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করি ২০১০ ইং সাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগ থেকে।

আমি খুব কল্পনাবিলাসী। কল্পনা নামের আলাদা একটা পৃথিবী আছে আমার। আমার এ পৃথিবীটা বাস্তবের পৃথিবী থেকে আলাদা। এখানে আমি যা খুশি কল্পনা করি। বাঁধা দেওয়ার কেউ নেই। কোন কষ্ট নেই, দুঃখ নেই এখানে। বই আর গান এ দুইটা আমার বন্ধু। বই আমার একাকীত্বের সাথী আর গান আমার সুখ দুঃখের সাথী।

কোন কথা কে কি বলল??? তার চেয়েও কিভাবে বলল সেটাকেই বেশী গুরুত্ব দিই। সবচেয়ে বেশী কষ্ট হয় যখন কেউ ভুল বোঝে। সবকিছুতেই ভালোটা খোঁজার চেষ্টা করি।

প্রিয় ফুল বেলী প্রিয় সময় গোধূলিবেলা। প্রিয় ঋতু বসন্ত।

জীবনটা আমার কাছে রেলগাড়ি মনে হয়,একটা একমুখি টিকিট কেটে উঠে পড়েছি। গন্তব্য কোথায় যানিনা? ঝিক ঝিক করে ট্রেন চলছে,তো চলছেই। সহযাত্রিদের সাথে আলাপ হয়। ভাব-ভালোবাসা-বন্ধুত্ব হয়। মাঝে মাঝে নানান স্টেশনে থামে, নতুন যাত্রি ওঠে,পুরানো কেউ কেউ নেমে যায়। তাদের গন্তব্য এসে গেছে। কখনো কখনো কেউ চলে গেলে আবার স্বস্তির নিঃশ্বাসই ফেলি- যাক বাবা এবার একটু আরাম করা যাবে।

আবার কখনো কখনো সহযাত্রীর চলে যাওয়ায় বুকের মাঝে সব ছিঁড়েখুঁড়ে যায়। আহা,সেকি কস্ট? প্রিয়মুখ দের বিদায় জানাবার, যানি যে আর কোনদিনও এক সাথে পথ চলা হবে না, আর কোনদিনও ফেরা হবে না। জীবন নামের এই রেলগাড়িটা যে কোন ফিরতি যাত্রা নেই! তারা নেমে যায়,ট্রেন আবারও চলতে শুরু করে,কখনো আমরা তাকিয়ে থাকি,যতক্ষন প্রিয়মুখগুলিকে দেখা যায়।

কখনো আবার অভিমানে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে শক্ত চেহারায় চোখের পানি মুছে নেই। এই যাত্রা যে শেষ করতেই হবে। কেউ কেউ অবশ্য মাঝ পথে হাল ছেড়েও দেয়, চেইন টেনে মাঝ পথেই নেমে পড়ে জীবন যাত্রার, অন্য ভাষায় সেটাকে আমরা আত্মহত্যা বলি। বাকিরা দাঁড়িয়ে,বসে,ঝাঁকুনি খেতে খেতে যাত্রাটা ঠিক চালিয়ে নেয়। বুকের মাঝে অসংখ্য প্রিয়জন হারাবার বেদনা নিয়ে ভাবি, কোনটা আমার স্টেশন? যে দিন যায়,সে দিন ফেরে না। মাথা কুটে মরলেও ফেরে না। আজ যা চলে গেলো, তা চিরকালের জন্যই গেলো।

উদ্যোক্তা হওয়ার বাসনা মনের গভীরে অনেকেই লালন করেন। তবে লালিত স্বপ্নকে পেছনে ঠেলতে নানা অজুহাত নিজের মনেই তৈরি করে মানুষ। টাকা নেই, আমাকে দ্বারা ব্যবসা হবে না, বিশ্বস্ত মানুষ পাব কই, পরিবারে ব্যবসা করেনি কেউ, আমি কি পারব? আমার জিনিস কিনবে কে—এসব সাত পাঁচ ভেবে অনেকেই এক ধাপ এগিয়ে তিন ধাপ পিছিয়ে যান।

আসলে উদ্যোক্তা হওয়ার মতো সাহস দেখাতে পারে খুব কম মানুষ। ঝুঁকি থাকবেই, তবে মনকে সেভাবেই গড়তে হবে। নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে দেখতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন মনের মাঝে সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের ক্ষমতা এবং আকাঙ্ক্ষা গড়ে তোলা। কিছু কিছু বিষয় আছে যা উদ্যোক্তা মনটাকে শক্তিশালী করে।

আমার উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনের গল্পটা শুরু আমার প্রবাস জীবন থেকে আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করার মধ্যপন্থি অবস্থায় ২০০৮ ইং সাল থেকে আমি নিজের কর্মস্থান তৈরি করে নেই আমি নার্সারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করি সাথে সোশ্যাল কাজে নিয়োজিত ছিলাম আমার প্রতিষ্ঠান টির নাম ছিলো (ডনবক্সো নার্সারি)।

সেখানে ছিলো হাজারো ছোট শিশুদের মিলন মেলা দীর্ঘ ৮ বছর আমি তা পরিচালনা করে থাকি। ২০১৬ ইং সাল ডিসেম্বর ৫ তারিখ আমি আমার প্রবাস জীবনের ইতি টেনে স্বদেশে পা রাখি। হাজার ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে নিজেকে আবার গরে তোলার স্বপ্ন দেখি, মনের মাঝে একটাই প্রশ্ন আমি কি পারবো আবার নতুন করে শুরু করতে?

এ ভাবনাটি আমাকে কুরে খেতো আল্লাহ্‌ অশেষ রহমতে আমি আবার শুরু করি দীর্ঘ তিন বছর পর অনলাইন বিজনেস আজ এক বছর পার করে সে তার স্থানটি পাকা পোক্ত করতে পেরেছে আলহামদুলিল্লাহ তবে এ যাত্রা টি ছিলো আমার জন্য আবার নতুন একটি চ্যালেঞ্জ। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য,পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন।

নিজের প্রকৃত নাম- Jobayda Poly

ব্যবসায়িক ঠিকানা-৩১/এ কামাল ভিলা দ্বিননাথ সেন রোড,গেণ্ডারিয়া ঢাকা-১২০৪।

কি কি প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করেন- মেয়েদের দেশী ও বিদেশী থ্রি পিছ, শাড়ি কালেকশন নিয়ে কাজ করে থাকি।

আপনার ইউনিক প্রডাক্ট কোনটি-ড্রেসের উপর নিজের হাতে পেইন্টিং।

ফেইসবুক পেইজের নাম- রঙ্গন।

ফেইসবুক পেইজের লিংক- https://m.facebook.com/100178028129205

রিটার্ন পলেসি আছে কি না- জ্বি আছে

ঢাকার ভেতরে রির্টান করতে চাইলে ডেলিভারি ম্যান এর সামনে চেক করে কোন সমস্যা থাকলে মার্চেন্ট কে কল করে কথা বলে রির্টান করতে হবে। ঢাকার বাহিরে হলে তিন দিনের মধ্যে কুরিয়ার করে প্রডাক্ট রির্টান করতে হবে সেক্ষেত্রে কুরিয়ার চার্জ ক্লায়েন্ট কে বহন করতে হবে। ডেলিভারি প্রসেস- ঢাকার ভেতর ক্যাশ অন ডেলিভারি ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়ে থাকে চার্জ ৮০/- ঢাকার বাহিরে জেলা শহড় ও উপজেলাতে কন্ডিশন ও রিকন্ডিশন এ প্রডাক্ট পাঠানো হয় দুই দিনের মধ্যে প্রডাক্ট ক্লায়েন্ট এর হাতে পৌঁছে যায় ডেলিভারি চার্জ-১৫০/-

.

আমাদের আরো পপুলার আর্টিকেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!